মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিন্ডিকেটের কারসাজিতে সারের সংকট দেখানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

আরবিসি নিউজ
আরবিসি নিউজ
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন
সিন্ডিকেটের কারসাজিতে সারের সংকট দেখানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

আরবিসি ডেস্ক : দেশে চার থেকে পাঁচ মাসের সার মজুদ রয়েছে বলে জানিয়ে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ইয়াছিন বলেছেন, সারের দাম বাড়ার অভিযোগ সত্য নয়। একটি সিন্ডিকেটের কারসাজিতে কৃত্রিমভাবে সারের সংকট দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা এ সংকট তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

 তিনি বলেন, সারের দাম বাড়ার অভিযোগ সত্য নয়। একটি সিন্ডিকেটের কারসাজিতে কৃত্রিমভাবে সারের সংকট দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা এ সংকট তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা মহানগর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর মসলা চাষে স্বনির্ভর হবে। প্রতি বছর দেশে প্রায় এক লাখ টন আদা আমদানি করতে হয়। আমরা চেষ্টা করছি আগামী দুই বছরের মধ্যে পেঁয়াজ, মরিচ, টমেটোসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য আমদানির প্রয়োজন যেন না হয়।

তিনি বলেন, প্রতিবছর দেশে পেঁয়াজ আমদানি করতে হতো। কিন্তু চলতি বছর এখন পর্যন্ত কোনো পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি। আশা করছি, আগামী দিনেও পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে না; বরং বাংলাদেশ পেঁয়াজ রপ্তানি করতে পারবে। ভবিষ্যতে কৃষিপণ্যই দেশের প্রধান রপ্তানিযোগ্য পণ্য হবে।

বর্ষা মৌসুমে সবজির দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্ষাকালে কৃষকদের সবজি উৎপাদন ও বাজারজাত করতে খরচ বেড়ে যায়। এ কারণে এ সময়ে সবজির দাম কিছুটা বাড়ে। বর্ষা মৌসুমে কৃষকদের সবজি উৎপাদনে উৎসাহিত করতে সরকার প্রণোদনা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া। কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবুর সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু।

rbcnewsbd.com
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিন্ডিকেটের কারসাজিতে সারের সংকট দেখানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

সিন্ডিকেটের কারসাজিতে সারের সংকট দেখানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

আরবিসি ডেস্ক : দেশে চার থেকে পাঁচ মাসের সার মজুদ রয়েছে বলে জানিয়ে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ইয়াছিন বলেছেন, সারের দাম বাড়ার অভিযোগ সত্য নয়। একটি সিন্ডিকেটের কারসাজিতে কৃত্রিমভাবে সারের সংকট দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা এ সংকট তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

 তিনি বলেন, সারের দাম বাড়ার অভিযোগ সত্য নয়। একটি সিন্ডিকেটের কারসাজিতে কৃত্রিমভাবে সারের সংকট দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা এ সংকট তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা মহানগর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর মসলা চাষে স্বনির্ভর হবে। প্রতি বছর দেশে প্রায় এক লাখ টন আদা আমদানি করতে হয়। আমরা চেষ্টা করছি আগামী দুই বছরের মধ্যে পেঁয়াজ, মরিচ, টমেটোসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য আমদানির প্রয়োজন যেন না হয়।

তিনি বলেন, প্রতিবছর দেশে পেঁয়াজ আমদানি করতে হতো। কিন্তু চলতি বছর এখন পর্যন্ত কোনো পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি। আশা করছি, আগামী দিনেও পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে না; বরং বাংলাদেশ পেঁয়াজ রপ্তানি করতে পারবে। ভবিষ্যতে কৃষিপণ্যই দেশের প্রধান রপ্তানিযোগ্য পণ্য হবে।

বর্ষা মৌসুমে সবজির দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্ষাকালে কৃষকদের সবজি উৎপাদন ও বাজারজাত করতে খরচ বেড়ে যায়। এ কারণে এ সময়ে সবজির দাম কিছুটা বাড়ে। বর্ষা মৌসুমে কৃষকদের সবজি উৎপাদনে উৎসাহিত করতে সরকার প্রণোদনা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া। কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবুর সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু।